Rangpur Medical College, Bangladesh

A Government Medical College in Bangladesh

BLOG PAGE Post New Entry

view:  full / summary

posting in DMCH

Posted by dr. monir on December 8, 2013 at 9:20 PM Comments comments (0)

Dear Friends/Colleague/sir,

Alhamdulillah(All Praises to Almighty Allah).

Yesterday, Government ordered me to join in in new place-DHAKA MEDICAL COLLEGE, OLDEST & BIGGEST MEDICAL COLLEGE IN BANGLADESH-ESTABLISHED AT 1946. PLACED IN CAPITAL CITY-DHAKA.

IT MAY OPEN GREAT OPPORTUNITY TO WORK IN GREATER FIELD OF PHYSIATRY.

REGARDS

Dr. Mohammad Moniruzzaman.

MBBs, FCPS

Specially trained in rheumatology (BSMMU) & regenerative medicine(India) & Advanced Interventional Pain managment (Taiwan)

Member of Intenational Society of rehabilitation Medicine (ISPRM)

Member of Early Career Networking Group (ACRM)

Lien I Nan Scholar 2012, (Taiwan).

1st clinical & Interventional Physiatrist & Algiatrist in Bangladesh.

Assistant Professor

Physical Medicine & Rehabilitation Department

Dhaka Medical College, Dhaka.

[email protected]

Fax-0521-63388

Mob-+8801715298988

Linkedin-bd.lnkd.com/pub//monir-zaman/44/357/887/.

Fellowship training in physical medicine & rehabilitation in Taiwan

Posted by dr. monir on June 15, 2013 at 9:55 PM Comments comments (0)

Alhamdulillah, I win Lien I-Nan Scholarship (2000 US Dollar) as a one in four in Asia. The name of hospital is National University Hospital, Taiwan. It is 1 month (May,2013) Fellowship clinincal training on Interventional pain management & electrodiagnosis & other recent advanced rehabilitation procedures. Actually it's a genuine clinical trianing,not a clinical observer, for this they approve my servicing to patient from minstry of health, Taiwan.This Knowledge will help me to implement in my medical college and my country.

Please make dua for me. Though I will go there for fellowship training, I try my best to do my job regarding muslim & Ummah of Rasul (Sm).


Dr. Mohammad moniruzzaman

FCPS

Assistant Professor & Head

Physical Medicine & Rehabiliation Department,

Rangpur Meidcal College, Rangpur, Bangladesh.

mob-01715298988

[email protected]





Scholarship on Physical medicine & Rehabilitation

Posted by dr. monir on April 29, 2013 at 9:45 PM Comments comments (0)

I win Lien I-Nan Scholarship (1 month-2000$) in National Taiwan University Hospital on Interventional pain Management, electrodiagnosis & recent advanced rehabilitation technology. Now I am in Thailand to get visa for Taiwan. Hope I will come back timely in good health Insha-Allah and can start my department with new knowledge & srtength. Please pray for me.

Dr. Mohammad Moniruzzaman,

Assistant Prof. & Head,

Physical Medicine & Rehabilitation Department,

Rangpur Medical College & Hospital

Fecebook Fan Page of Rangpur Medical College

Posted by Naheed on May 24, 2011 at 9:03 AM Comments comments (1)

here is the link of the facebook fan page of rangpur medical college. entere here and like the page.

http://www.facebook.com/rangpur.medical.college

Rangpur Medical Google Group

Posted by Nasim on August 18, 2010 at 4:53 PM Comments comments (1)

Already 29 Rangpur Medical Graduates has joined the Rangpur Medical Google Group.

Invite your friends to join the Rangpur Medical Google Group by emailing at [email protected]

Also you can visit the groups home page at http://groups.google.com/group/rangpurmedical

রামাদানে রোজা রাখা

Posted by Dr. Mujib. Rangpur Medical College, Bangladesh on August 17, 2010 at 3:50 AM Comments comments (3)

বেশীর ভাগ রাজনীতিকরা বিগত অনেক বছর ধরে 'ইফতার পার্টী' নামে তাদের পার্টির লোকজন নিয়ে শোডাউন করে আসছেএটাকি ইসলাম সম্মত?


রামাদানে রোজা রাখা-২ লিখেছেন: ' মুসলিম৫৫' @ বৃহস্পতিবার, অগাষ্ট ১২, ২০১০

(১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ

http://www.peaceinislam.com/muslim55/7365/

 


 


سْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

আস সালামু আলাইকুম!

আমরা আগেই বলেছি যে,

রামাদানে রোজা রাখা – ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি।

আমরা আগের আলোচনার সূত্র ধরে, রামাদান সংক্রান্ত আমাদের আলোচনার দ্বিতীয় পর্বে যাবো ইনশা’আল্লাহ্!

বাংলাদেশ সহ, প্রায় সকল মুসলিম দেশের শহর কেন্দ্রিক নাগরিক জীবনে রামাদান হচ্ছে কেনাকাটার, অপচয়ের এবং ভুরিভোজনের প্রতিযোগীতার মৌসুম – রাতকে দিন বানিয়ে, ব্যয়ের উৎসবে মেতে ওঠার মৌসুম। বাংলাদেশের খবরের কাগজগুলো খুললেই আপনি দেখবেন যে, রামাদান সংক্রান্ত খবরগুলি হচ্ছে হয় নতুন জামাকাপড় ইত্যাদির বাজারের খবর অথবা চকবাজারের ইফতারীর সমারোহের চিত্র অথবা ইফতারীর না না রকম আইটেমের রেসিপি। কোন অমুসলিম বিদেশী, রামাদান সম্বন্ধে না জেনে থাকলে, ব্যাপারটাকে পশ্চিমা জগতের carnival-এর মত কিছু বলে ভুল করতে পারেন। বেশ কবছর ধরে, ঢাকায় বড় হওয়া এই আমার কাছেই রামাদানের সময়টাকে ”ইফতারী বিপ্লবের” বা “ভোজন বিপ্লবের” একটা সময় বলে মনে হয়। আমাদের দেশের এলিট তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আয়োজন করা ”ইফতার-পার্টি” এই ”বিপ্লবে” এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অথচ তাই কি হবার কথা ছিল – রামাদান মাসের কি আমাদের রসনা তথা ভোগ-বিলাসের স্পৃহাকে উসকে দেবার কথা ছিল? নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির ব্যবসায়ীরা যে সারা বছর অতিরিক্ত মুনাফার জন্য এই সময়টার দিকে তাকিয়ে থাকে – তাই কি হবার কথা ছিল? আমরা যদি সত্যি “বিরত” থাকতে পারতাম, তবে কি তারা এ সময়টার ফায়দা লুটতে পারতো? তাছাড়া কথাতো ছিল আমরা কম খেয়ে, সংযত আচরণের মাধ্যমে যে সঞ্চয় বা সাশ্রয় করবো, তা থেকে বেশী বেশী দান-খয়রাত করবো – কিন্তু আমরা কি তাই করে থাকি? নীচের সংজ্ঞা ও বর্ণনাগুলো পড়তে পড়তে আসুন, আমরা তা ভেবে দেখি:

[রোজা বা] সিয়ামের অর্থ:

ভাষাগতভাবে “সিয়াম” অর্থ হচ্ছে কিছু থেকে বিরত থাকা যেমন – ধরুণ কথা বলা থেকে বিরত থাকা। শরীয়াহ্য় যখন “সিয়াম” বলা হয়, তখন সরাসরি খাদ্য, পানীয় ও যৌন সংসর্গ থেকে, রামাদান মাসের দিনগুলোর দিবাভাগে বিরত থাকাকে বোঝায়। এই কাজটি ইসলামের স্তম্ভগুলোর একটি – যেমনটা আমরা হাদীস জিবরীলে ["উম্মুল সুন্নাহ্" বলে পরিচিত মুসলিম শরীফের বিখ্যাত হাদীস - যেখানে জিবরীল (আ.) প্রশ্নের জবাবে রাসূল(সা.) ইসলামের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে "রামাদানে রোজা রাখাকে" ইসলামের একটি অবশ্যকরণীয় হিসেবে উল্লেখ করেন] দেখতে পাই।

সিয়ামের গুরুত্ব:

“সিয়াম” হচ্ছে আত্ম-সম্বরণ, পরহেজগারী ও “আল্লাহ্-সচেতনতা” অর্জনের একটা মাধ্যম। রাসূল (সা.)-এঁর আগের নবীদের বেলায়ও কোন না কোন আঙ্গিকে উপবাসের নিয়ম প্রযোজ্য ছিল। রামাদান মাসের রোজাকে ফরজ করে যে আয়াত নাযিল হয় – তাতে আল্লাহ্ রোজার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য নির্দেশ করেছেন :

“হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদের জন্য “সিয়াম” নির্ধারণ করা হয়েছে, যেমনটা তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল – যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।” (সূরা বাক্বারা, ২ : ১৮৩)

রাসূল (সা.) বলেছেন যে, রোজা হচ্ছে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাবার ব্যাপারে একটা সুরক্ষা বুহ্য বা ঢাল :

“তোমরা যুদ্ধে যেমন ঢাল ব্যবহার কর, “সিয়াম” হচ্ছে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাবার জন্য সেরকম একটা ঢাল।” (আহমাদ, নাসাঈ ও অন্যান্য বর্ণনায় এসেছে – আলবানীর মতে সহীহ)।

উপরন্তু কিয়ামতের দিনে তা এক শাফায়াতকারী রূপে বা মধ্যস্থতাকারী রূপে কাজ করবে। রাসূল (সা.) বলেন,

“রোজা এবং কুর’আন পুনরুত্থান দিবসে মধ্যস্থতাকারী (বা সুপারিশকারী) হিসেবে আবির্ভূত হবে। রোজা বলবে, ‘হে প্রভু! আমি তাকে দিবাভাগে তার খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত রেখেছিলাম। তাই (আজ) আমাকে তার পক্ষে সুপারিশ করতে দিন।’ পবিত্র কুর’আন বলবে, ‘আমি তাকে রাতে ঘুমানো থেকে বিরত রেখেছিলাম, সুতরাং আমাকে তার জন্য সুপারিশ করতে দিন।’ তখন তাদের সুপারশ করার অনুমতি দেয়া হবে।” (আহমাদ দ্বারা লিপিবদ্ধ – আলবানীর মতে সহীহ্)

“সিয়াম” হচ্ছে এমন একটা কাজ যা আল্লাহর প্রতি যে কারো বিশ্বস্ততাকে প্রতিফলিত করে। কেউ সত্যি “সিয়াম” পালন করলো কিনা বা রোজা রাখলো কিনা – তা একমাত্র আল্লাহ্ই জানেন। সে গোপনে রোজা ভেঙে কিছু খেলো কিনা তা অন্য কারো পক্ষে জানা সম্ভব নয়। সেজন্য, যারা রোজা রাখেন, তাদের জন্য আল্লাহর বিশেষ পুরস্কার রয়েছে। নিম্নলিখিত হাদীসে কুদসীতে তা বলা হয়েছে,

আল্লাহ্ বলেছেন, “সে তার খাবার, পানীয় ও বাসনা আমার জন্য ত্যাগ করেছে। ‘সিয়াম’ হচ্ছে আমার উদ্দেশ্যে এবং আমি তার প্রতিদান/পুরস্কার দেব এবং প্রতিটি সৎকাজের জন্য ১০ গুণ প্রতিদান দেয়া হবে।” (বুখারী)

আল্লাহর রহমতে ও করুণায়, একজন ব্যক্তি যদি আল্লাহর বিশ্বাস সমেত এবং প্রতিফল পাবার আশায় রামাদান মাসের রোজা রাখে, তাহলে আল্লাহ্ তার পূর্ববর্তী সব সগীরা গুনাহ মাফ করে দেবেন। রাসূল (সা.) বলেন :

“যে ঈমান সহকারে ও প্রতিফল পাবার আশা নিয়ে রামাদান মাস রোজা রাখে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যাবে।” (বুখারী ও মুসলিম)


Relegion -the truth

Posted by Dr. Mujib. Rangpur Medical College, Bangladesh on August 17, 2010 at 3:43 AM Comments comments (0)

As salamu Alaikum,

Please read the article in The Daily Ittefaque, 17the August 2010

.

জীবন জিজ্ঞাসা : ধর্মকর্মের মর্মকথা

ড. আমিনুল ইসলাম

কেউ কেউ নালিশের সুরে বলে থাকেন: ধর্ম একানত্দই আবেগ-অনুভূতি ও বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ফলে ধর্ম-কর্ম সম্পাদনের ধমর্ীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে সংশিস্নষ্ট ব্যক্তির স্বাধীন মতামত ও বিচার-বিশেস্নষণের কোনো অবকাশ নেই। শুধু তা-ই নয়, এ অভিযোগও করা হয় যে, ধর্ম তার অনুসারীদের সংকীর্ণতা ও বিভেদ-বিভক্তির দিকে ঠেলে দেয়, ধর্মের নামে অন্য ধর্মাবলম্বীদের অনিষ্টসাধনে প্ররোচিত করে। এই অভিযোগ নিঃসন্দেহে গুরম্নতর, কিন্তু এজন্য কি আসলে ধর্ম দায়ী? উত্তর: না। কোনো ধর্মশাস্ত্রে এই ভয়ানক শিৰার নজির খুঁজে পাওয়া যায় না। তাহলে ধর্মকে কেন্দ্র করে এই অধর্ম কেন?

কথায় বলে, চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী। আর তাইতো অপরের অনিষ্ট না করার এবং পুণ্য জীবন-যাপনের যে দ্ব্যর্থহীন ধমর্ীয় তাগিদ, তা প্রকাশ্যে লঙ্ঘিত হয়েছে ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে, পবিত্র ধর্মকে কেন্দ্র করে প্রায়শই গড়ে উঠেছে আনত্দ:ধমর্ীয় তিক্ততা ও সহিংসতা। এরজন্য কোনো ধর্ম দায়ী নয়, দায়ী ধর্মকে হীন স্বার্থে ব্যবহারের অভিসন্ধি ও অপপ্রয়াস। যুক্তিবাদী ও জীবনমুখী দর্শন যেমন, প্রকৃত ধর্মও তেমনি বিভেদ নয়, ঐক্যের কথা বলে, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সব মানুষকে মুক্তি ও শানত্দির দিগ্দর্শন দেয়। ধর্ম কখনো যুক্তিহীন বিশ্বাসকে প্রশ্রয় দেয় না, ধর্ম-কর্মকে নিছক প্রাণহীন আচার-অনুষ্ঠানের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ রাখে না। অন্যকথায়, ধর্ম মানুষের মনের আবেগ-অনুভূতি, বিচারবুদ্ধি, ইচ্ছাশক্তি তথা সমগ্র ব্যক্তিত্ব ও চরিত্রকে কিভাবে বিকশিত করতে হয়, তা শেখায়, মানুষকে যথার্থ মনুষ্যত্বের আসনে দেখতে চায়।

যেমন ধরা যাক ইহুদি ধর্মের কথা। এখানে পরিষ্কার নির্দেশ দেয়া হয়েছে: "তোমার কাছে যা ঘৃণ্য (যধঃবভঁষ) অপরের প্রতি কখনো তা করো না। মনে রেখো এটাই আইনের মর্মবাণী, বাদবাকি সবই সেই আইনের টীকা ভাষ্য।" খ্রিস্টধর্মের মূল শিৰাও নিহিত তার চমৎকার কর্মনীতিতে। যিশুখ্রিস্ট নমস্য হয়ে আছেন তাঁর নৈতিক শিৰার জন্য। "অন্যের প্রতি যেমন আচরণ কর, যেমন তুমি অন্যের কাছ থেকে প্রত্যাশা কর"- এটিও বাইবেলের এক মহান শিৰা।

ইসলাম ধর্মে আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে কর্মনিষ্ঠার ওপর বেশি জোর দেয়া হয়েছে, সতর্ক পর্যবেৰণ ও অধ্যয়নের মাধ্যমে জীবনকে সার্থক করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে (কোরআন ২:২৭০, ৯৬:৫)।

কোরআন কখনো কোনো মুসলমানকে কোনোকিছু নির্বিচারে মেনে নেয়ার কথা বলেনি, বরং সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্বাচনের দায়িত্ব ও ৰমতা ন্যসত্দ করেছে ব্যক্তির সুবিবেচনা ও সিদ্ধানত্দের ওপর। মানুষ সিদ্ধানত্দ গ্রহণে স্বাধীন বলেই কোরআন তাকে দায়ী বলে ঘোষণা করেছে তার সিদ্ধানত্দের ফলাফলের জন্য (১৭:৩৬)। কোরআন ঘোষণা করেছে: "সত্য এখন ভ্রানত্দি থেকে সুস্পষ্ট; যে বিশ্বাস করতে চায় তাকে বিশ্বাস করতে দাও। এটা হবে তারই কৃতিত্ব। যে বিশ্বাস করতে চায় না, তাকেও তা করতে দাও। এটা ডেকে আনবে তারই দুর্নাম" (২:২৫৬)। কোরআন জ্ঞানকে তুলনা করেছে আলো ও দৃষ্টিশক্তির সঙ্গে এবং অজ্ঞতাকে অন্ধকার ও অন্ধত্বের সঙ্গে। জ্ঞানের লৰ্যে নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তিকে কোরআন অধিষ্ঠিত করেছে উচ্চতর মর্যাদায়। ইসলামের এই উদারনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি চূর্ণ করে দিয়েছিল অতীতের সবরকম কুসংস্কার। ব্যক্তির সহজাত মর্যাদা ও মুক্তবুদ্ধির প্রতি ইসলামের অকুণ্ঠ সমর্থনের কারণেই অপ্রয়োজনীয় বিবেচিত হয়েছিল বিশেষ বংশ বা বিশেষ মর্যাদার অধিকারী পুরোহিতের ভূমিকা। তাই দেখা যায়, ভালো-মন্দ উচিত-অনুচিত প্রভৃতি নৈতিক ও ধমর্ীয় বিষয় নির্ধারণে ইসলাম কোনো পুরোহিতের কথা বলেনি, বরং সেই দায়িত্ব অর্পণ করেছে বিদ্বান ও বিবেকবান প্রতিটি মুসলমানের নিজের ওপর।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চার প্রতি কোরআন-এর এ সমর্থনকেই মহানবী বিবৃত করেছেন তাঁর অমিয় বাণীতে এবং মুসলমানদের উদ্বুদ্ধ করেছেন নির্ভয়ে জ্ঞানানুশীলন ও সত্যানুসন্ধান করতে। তাঁর মতে, জ্ঞান ও সত্যের অনুসন্ধানে যে ব্যক্তি ঘরের বাইরে যায়, সে আলস্নাহর পথে চলে। তাই তাঁর উপদেশ: "জ্ঞান অর্জন কর; যে আলস্নাহর উদ্দেশ্যে জ্ঞান অর্জন করে, সে পুণ্যের কাজ করে; যে জ্ঞান সম্পর্কে কথা বলে, সে আলস্নাহর প্রশংসা করে; যে জ্ঞান অনুসন্ধান করে, সে তাঁর উপাসনা করে।" "বিদ্যা অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নারী ও পুরম্নষের জন্য অবশ্যকর্তব্য।" "বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র।" জ্ঞানহীন মানুষকে মহানবী আখ্যা দিয়েছেন পশুর শামিল বলে। আর তাই তিনি সকলকে তাগিদ দিয়েছেন দোলনা থেকে কবর পর্যনত্দ জ্ঞানের অনুসন্ধান করতে, চীন দেশে গিয়ে হলেও জ্ঞান অর্জন করতে। কোরআন-এর দ্ব্যর্থহীন নির্দেশ ও সেই মর্মে মহানবীর তাগিদ মুসলমানদের উদ্বুদ্ধ করেছিল জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব জ্ঞানানুরাগী ব্যক্তিকে উৎসাহিত ও সহায়তা করায় এবং জ্ঞানের অকৃত্রিম সাধক ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পৃথিবীতে একটি অনন্য গৌরবময় স্থান অধিকারে।

[লেখক :দর্শনবিদ, অধ্যাপক (সুপারনিউমেরারি),

দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]


Welcome to my Academic videos and blogs

Posted by Dr. Mujib. Rangpur Medical College, Bangladesh on August 17, 2010 at 2:58 AM Comments comments (0)

As salaamu alaikum.

Welcome to my blogpage and website. You will find some academic videos from my microscope, might be helpful for medical teachers and students.

Allah Hafez


Rss_feed